মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

সিটিজেন চার্টার

সিটিজেন চার্টার

বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগ প্রবন এলাকায় অবস্থিত। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, বন্যা, নদী ভাঙ্গন, খরা, টর্ণেডো ইত্যাদি প্রাকৃতিক কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ এদেশের জনগনের জীবনে প্রায় নিত্য দিনের ঘটনা। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা পৌছানোর লক্ষ্যে স্বাধীনতা লাভের পর সরকার ১৯৭২ সালে ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয় নামে একটি মন্ত্রণালয় গঠন করে। ত্রাণ কার্যক্রম সংক্রান্ত নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের দায়িত্ব এ মন্ত্রণালয়ের উপর ন্যস্ত করা হয়।

১৯৮২ সালে মন্ত্রনালয়সমূহ পুনর্গঠন প্রাক্কালে ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়কে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ত্রান ও পুনর্বাসন বিভাগ হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। ১৯৮৮ সালে পুনরায় ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগকে ত্রান মন্ত্রণালয হিসেবে ঘোষণা করা হয়্ ১৯৯৪ সালে ত্রান মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় নামকরণ করা হয়্ । ২০০৪ সালে দুর্যোগ ব্যস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং খদ্য মন্ত্রণালয় একীভূত করে খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় করা হয়। বর্তমানে দুর্যোগের মাত্রা ও ক্ষতির পরিমান বৃদ্ধি পাওয়যয় এবং ত্রাণ তৎপরতার জন্য অপেক্ষা না করে দুর্যোগের ঝুঁকি কমানো ও প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থার সাথে নিবিড় সমস্বয় করার নিমিত্ত সর্বশেষ ২০১০ সালের প্রথম দিকে খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়কে দুটি বিভাগে, যথা - ক) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিভাগ এবং খ) খাদ্য বিভাগ এ বিভক্ত করা হয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিভাগে দু’টি অধিদপ্তর/ব্যুরো রয়েছে। যা নিম্নরুপঃ

ক) ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তর

খ) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরো

ভিশনঃ দুর্যোগের ঝুঁকি কমানো বিশেষতঃ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উপর প্রকৃতি ও পরিবেশের ক্ষতিকর প্রভাব ও মনুষ্য সৃষ্ট বিপদ আপদকে নিয়ন্ত্রণ ও সহনীয় পর্যায়ে আনা এবং অঞ্চলভিত্তিক সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

মিশনঃ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে দুর্যোগ উত্তর সাধারণ ত্রান ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনার অপেক্ষা না করে পূর্ব হতে সার্বিকভাবে দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস ও এ দুর্যোগে সৃষ্ট ক্ষতি কমানো। এলক্ষ্যে দুর্যোগের প্রকৃতি ও অঞ্চলভিত্তিক দুর্যোগ মোকাবেলার প্রস্তুতি নিশ্চিত করা। খাদ্যের বিনিময়ে ও নগদ অর্থে কর্মসৃজনের মাধ্যমে গ্রামীণ দরিদ্র অথচ সাময়িক বেকার জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ বাংলাদেশের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করা। বিশেষতঃ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় পেশগত দক্ষতা অর্জন, দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস, দুর্যোগের পূর্বাবাস ও সতর্কীকরন ব্যবস্থাপকে শক্তিশালী করা, পরিবেশ পরিবর্তনের সাথে নাগরিকগণের খাপ খাওয়ানো এবং দুর্যোগ মোকাবেলায় যথাযথ প্রস্তুত্তি গ্রহণ করা।  এছাড়া বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ উত্তর পুনর্বাসন কর্মসূচীর আওতায় শস্য রোপন ও ফসল কর্তনের মধ্যবর্তী সময়ে (Agricultural Slack Season) খাদ্য ও অর্থের বিনিময়ে গ্রামীণ দরিদ্র বেকার শ্রমিকদের জন্য কর্ম সৃজন করা এবং বিনিময়ে স্থানীয় ও জাতীয় সম্পদ সৃষ্টি করা।

অঙ্গিকারঃ বাংলাদেশের ভৌত অবকাঠামাগত দিক বিবেচনায় রেখে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা Hyogo Framework for Action (HIFA) বাস্তবায়ন এবং দুর্যোগ পরবর্তী ত্রাণ তৎপরতার জন্য অপেক্ষা না করে প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের মাধ্যমে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্তাপনাকে সমৃদ্ধশালী করা। এছাড়া গ্রামীণ দরিদ্র ও বেকার জনগোষ্ঠীর জন্য নগদ অর্থে অথবা খাদ্যের বিনিময়ে কর্মসৃজন করা। গ্রামাঞ্চলে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

অভিযোগের বিষয়ে নাগরিকগণ যেসকল স্থানে/পর্যায়ে প্রতিকার পেতে পারেন তা নিম্নরুপঃ 


Share with :

Facebook Twitter